Sunday, October 29, 2017

ছয় প্রকার নারীকে বিয়ে করো না

ছয় প্রকার নারীকে বিয়ে করো না বলে আরবীতে যে প্রবাদ আছে।

সেই ছয় প্রকার হলোঃ

আন্নানা, মান্নানা, হান্নানা, হাদ্দাকা, বাররাকা ও শাদ্দাকা।

  1. আন্নানা হলো সেই নারী যে সবসময় 'হায় আফসোস' 'হায় অাফসোস' করতে থাকে। এবং অলস, 'রোগিণী'র ভান করে বসে থাকে। এমন নারীকে বিয়ে করলে সংসারে বরকত হয় না।
  2. মান্নানা হলো সেই নারী যে স্বামীকে প্রায়ই বলে - 'আমি তোমার জন্যে এই করেছি, সেই করেছি।' হেন করেছি তেন করেছি, ইত্যাদি ইত্যাদি।
  3. হান্নানা হলো সেই নারী যে তার পূর্বের স্বামী বা প্রেমিকের প্রতি আসক্ত থাকে।
  4. হাদ্দাকা হলো সেই নারী, যে কোনো কিছুর উপর থেকেই লোভ সামলাতে পারে না। সব কিছুই পেতে চায়, এবং স্বামীকে তা ক্রয়ের জন্যে নিয়মিত চাপে রাখে।
  5. বাররাকা হলো সেই নারী যে সারাদিন কেবল সাজসজ্জা ও প্রসাধনী নিয়ে মেতে থাকে। এই শব্দের অন্য একটি অর্থ হলো, যে নারী খেতে বসে রাগ করে চলে যায়। এবং পরে একা একা খায়।
  6. শাদ্দাকা হোলো সেই নারী যে সবসময় বকবক করে।

Thursday, July 20, 2017

অর্ধেক ট্যাবলেট কই গেল?


এই পাতায় একটি ট্যাবলেটের অর্ধেক পাওয়া গেছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এমনটি হয়েছে বলে মনে করছি। অনেক মজা পেলাম এই ওষুধের ষ্ট্রিপটি দেখে। কেমন লাগলো জানাবেন।

Monday, February 29, 2016

ইংরেজী সাল-তারিখ থেকে বাংলা সাল-তারিখ বের করার সহজ কৌশল

অনেক সময় আমাদের বাংলা কত তারিখ আমাদের মনে থাকে না। তাই আজ আমরা শিখব কিভাবে ইংরেজী তারিখ থেকে বাংলা তারিখ বের করা যায়।
প্রথমে ইংরেজী সন থেকে ৫৯৩ বিয়োগ করে বাংলা সন বের করে নিতে হবে। বাংলা ১লা বৈশাখ সব সময় ইংরেজী এপ্রিল মাসের ১৪ তারিখ থেকে শুরু হয় এবং বাংলায় অন্যান্য মাসগুলি পর্যায়ক্রমে ইংরেজি মাসের ১৩ থেকে ১৬ তারিখের মধ্যেই শুরু হয়ে থাকে।
যেহেতু ইংরেজি মাসের ১৩-১৬ তারিখের মধ্যে বাংলা মাসগুলির ১ তারিখ শুরু হয়ে থাকে তাই নিচের কোডটি মনে রাখুন।

কোড- ৪ ৫৫ ৬৬৬৬ ৫৫ ৪৩৫
এখানে বাংলার ১২ মাসের ১২টি কোড আছে পর্যায়ক্রমিকভাবে।
কোডটিতে ৪ মানে ইংরেজী মাসের ১৪ তারিখ, ৫ মানে ইংরেজী মাসের ১৫ তারিখ, ৬ মানে ইংরেজী মাসের ১৬ তারিখ এইভাবে যা বাংলা মাসগুলির ১ম তারিখ পর্যায়ক্রমে শুরু হওয়া নির্দেশ করে।

উদহরণ-
কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৮৯৯ সালের ২৫ মে। এটাকে আমরা বাংলা সন-তারিখে রূপান্তরিত করবো।
এখন, ১৮৯৯ থেকে ৫৯৩ বিয়োগ করলে পাই ১৩০৬, যা কাজী নজরুলের বাংলা জন্ম সাল নির্দেশ করে।
এবার ২৫ মে থেকে বাংলা মাসের তারিখটি বের করবো।
এখন, আমাদের কোডের দিকে নজর দিই। কোডের ১ম অংকটি ৪, মানে এপ্রিল মাসের ১৪ তারিখ বা বাংলার ১ লা বৈশাখ। কোডের ২য় অংকটি ৫, মানে মে মাসের ১৫ তারিখ বা বাংলায় জ্যৈষ্ঠ মাসের ১লা তারিখ। এখন, ১৫মে থেকে ২৫মে মানে ১১ দিন।
অর্থ্যাৎ ১৩০৬ সালের ১১ই জ্যৈষ্ঠ।
সুতরাং, কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ইংরেজির ১৮৯৯ সালের ২৫মে হচ্ছে বাংলায় ১৩০৬ সালের ১১ই জ্যৈষ্ঠ।
(প্রয়োজনে পরবর্তী মাসগুলোর জন্য এভাবে এগুতে হবে)।

Monday, October 27, 2014

সচেতন অভিভাবকদের মনে রাখা ও পালন করার জন্য কিছু প্রয়োজনীয় টিপস

  1. কারো কোলে বসা (এমনকি চাচা, মামা ইত্যাদি) থেকে আপনার শিশু কন্যাকে বিরত রাখুন বা সাবধানতা বজায় রাখুন।
  2. সন্তান ২ বছর বয়স হলে (ছেলে/মেয়ে) তার সামনে নিজের পোশাক পরিবর্তন করা থেকে বিরত থাকুন।
  3. কোন বয়স্ক ব্যক্তি (সে যতই নিকটাত্মীয় হোক না কেন) যেন আপনার সন্তানকে ‘আমার বউ’ বা ‘আমার বর’ বলে সম্বোধন না করে, সে ব্যপারে কঠোর ও অনমনীয় থাকবেন।
  4. যখনই আপনার সন্তান বাইরে (আপনার চোখের আড়ালে) খেলতে যাবে, জানার চেষ্টা করুন তারা কোন ধরনের খেলা খেলে এবং কার সাথে ও কোন বয়সী বাচ্চাদের সাথে খেলে?
  5. কারো কাছে থাকার জন্য কক্ষনই আপনার বাচ্চাকে (ছেলে/মেয়ে) বাধ্য বা জোর করবেন না, বিশেষ করে সে (বাচ্চা) যদি থাকতে না চায় বা অস্বস্তির ভাব দেখায়। এমনকি, হঠাৎ করেই যদি আপনার সন্তান কোন বিশেষ কারো সাথে থাকতে চায় বা তার প্রতি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী অনুরক্ত আচরণ করে তবে বিষয়টি অনুসন্ধান করবেন।
  6. কোন প্রাণবন্ত বা খুবই হাসিখুশি বাচ্চা যদি হঠাৎ করে খুব বিমর্ষ বা চুপচাপ অথবা সব কাজেই অনাগ্রহ দেখায়, তাহলে সময় ও ধৈর্যশীলতার সাথে এর কারণ অনুসন্ধান করুন।
  7. শিশু যখন ধীরে ধীরে বড় হতে থাকবে তখন নারী-পুরুষের শারীরিক সম্পর্ক (right values of sex) সম্মন্ধে সঠিক শিক্ষা দিন। যদি আপনি সেটা দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে তার পারিপার্শ্বিক সমাজ ও বন্ধুরা তাকে সেই শিক্ষা দেবে; এবং সেটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভুল বা বিকৃত শিক্ষা হবে।
  8. আপনার শিশুর জন্য যদি কোন ভিডিও বা কার্টুন কিনে আনেন, তবে সে (শিশু) দেখার আগে আপনারা দুজন (বাবা-মা) দেখে নিবেন এটা আসলেই তার দেখার উপযোগী কি না।
  9. আপনার বাসায় যদি ক্যাবল টিভি থাকে তাহলে সেটি কঠোর প্যারেনটাল কন্ট্রোলের আওতায় আনুন, যেন আপনার অনুপস্থিতিতে শিশুর টিভিতে কোন ধরনের অশালীন- অপ্রীতিকর দৃশ্য দেখার সম্ভবনা না থাকে। আপনার শিশুর যারা খেলার সাথী, তাদের অভিভাবকদেরকেও এই ব্যপারে পরামর্শ দিন।
  10. আপনার তিন বছরের সন্তানকে ভালভাবে তার লজ্জাস্থানসমূহ পরিষ্কার করা শেখান। এবং সতর্ক করে দিন যেন কেউ তার সেই সব স্থান স্পর্শ না করে বা করার চেষ্টা না করে। (এমনকি আপনিও পারতপক্ষে এটি থেকে বিরত থাকবেন)
  11. আপনার সন্তানের মানসিক সুস্থতা বজায় রাখার জন্য কিছু জিনিস এমনকি কিছু ব্যক্তিকেও ব্ল্যাকলিস্টের অন্তর্ভুক্ত করুন (বিনোদনমুলক অনুষ্ঠান [গান, মুভি, সিরিয়াল, কার্টুন], ভিডিও গেইম, ক্ষতিকর আত্মীয় ও বন্ধুবান্ধব ইত্যাদি)।
  12. আপনার সন্তানকে নৈতিকতায় স্বতন্ত্র বা লাখে একজন (the value of standing out of the crowd) হওয়ার আবশ্যকতা শেখান।
  13. আপনার সন্তান যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কে অভিযোগ করবে (যতই অবাস্তব/ অসম্ভব/অকল্পনীয় সেই অভিযোগ হোক না কেন), অবশ্যই জরুরী ভিত্তিতে বিষয়টি অনুসন্ধান করবেন। এবং সবসময় আপনার সন্তানের পাশে থাকবেন। আপনার সন্তান জানু্ক যে, আপনি তাকে রক্ষা করার ক্ষমতা ও সাহস রাখেন। মনে রাখবেন, আপনি হয় অভিভাবক অথবা ভবিষ্যৎ।

Sunday, October 26, 2014

লিউ, তার স্বামী এবং শ্বাশুড়ী


অনেক দিন আগে, চীন দেশে লিউ নামে এক মেয়ে বিয়ে করে বাস করতে লাগল তার স্বামী এবং শ্বাশুড়ীর সাথে।

খুব অল্পসময়েই লিউ দেখল যে তার শ্বাশুড়ীর সাথে বাস করাটা প্রায় অসম্ভব।ক্রমশ তাদের মধ্যে মতনক্য আর ঝগড়া শুরু হয়। শাশুরি প্রায়শ লিউকে কটাক্ষ করতো বিভিন্ন কাজে।পরিস্থিতি সবচাইতে খারাপ করল যে দিকটা সেটা হল, চাইনিজ পরম্পরা অনুয়ায়ী লিউ তার শ্বাশুড়ীকে সবসময়েই মাথা নুইয়ে সন্মান জানাতে হতো এবং শ্বাশুড়ীর সমস্ত আদেশ মেনে নিতে হতো।

অনেক দিন এবং সপ্তাহ পার হয়ে গেল কিন্তু তাদের বিবাদ না কমে দিন দিন বাড়তেই থাকল।এ সমস্ত ঘটনা ক্রমেই লিউর স্বামীকেকে হতাশাগ্রস্থ করে তুলল।লিউ কোনভাবেই তার শ্বাশুড়ীর এই খারাপ আচরন বরদাস্ত করতে পারছিলনা, এবং সে সিদ্ধান্ত নিল যে কিছু একটা করতেই হবে।

একদিন লিউ তার বাবার এক বন্ধু মি: হং এর কাছে গেল যার একটা ফার্মেসি রয়েছে। লিউ তাকে সমস্ত ঘটনা খুলে বললো এবং তার কাছে কিছু বিষ চাইল যা দিয়ে তার শ্বাশুড়ীকে মেরে ফেলে এ সমস্ত সমস্যার সমাধান করা যায়।মি: হং কিছুক্ষণ চিন্তা করে বললেন," লিউ, আমি তোমাকে সাহায্য করবো তোমার সমস্যার সমাধান করবার জন্য, কিন্তু আমি তোমাকে যা যা বলবো তাই তোমাকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে।লিউ খুশিমনে তার কথায় রাজী হয়ে গেলো।

মি: হং পেছনের রুমে গেলেন এবং কিছুক্ষণ পর ফিরে এলেন একটা ঔষধের প্যাকেট নিয়ে।তিনি লিউকে বললেন," তোমার শ্বাশুড়ীকে মেরে ফেলবার জন্য এমন কোন বিষ দেয়া উচিৎ হবেনা যা তাৎনিক ভাবে তাকে মেরে ফেলবে। এতে লোকের সন্দেহ তোমার উপর পরবে।তাই আমি তোমাকে এমন একটা ঔষধ দিচ্ছি যা তোমার শ্বাশুড়ীর শরীরে ধীরে ধীরে বিষক্রিয়া করবে। প্রতিদিন তার খাবারের সাথে এটা অল্প করে মিশিয়ে দিবে। এটার কার্যকারীতা শুরু হতে কয়েকমাস লেগে যেতে পারে, আর তাই তুমি তোমার শ্বাশুড়ীর সাথে এ কদিন ভাল ব্যবহার করতে থাক যাতে লোকের সন্দেহ কোনক্রমেই তোমার উপর না পরে।কখনই তার সাথে তর্ক করবেনা, তার প্রতিটি ইচ্ছা পুরণ করবে এবং তার সাথে রানীর মতো আচরণ করবে।"লিউ খুবই খুশী হল।সে মি: হংকে ধন্যবাদ দিয়ে তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরে এল তার শ্বাশুরীকে হত্যা করবার কাজ শুরু করবার জন্য।সপ্তাহ পার হয়ে মাস পার হয়ে গেল, লিউ তার ঔষধটা শ্বাশুড়ীকে নিয়ম করে খাওয়াতে লাগল।সে সবার সন্দেহের উর্দ্ধে থাকবার জন্য মি: হং এর উপদেশও অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে লাগলো। সে তার বাজে রাগকে প্রশমিত করলো, তার শ্বাশুড়ীর সমস্ত আদেশ মাথা পেতে পালন করতো এবং তার সাথে আচরণ করত তার নিজের মায়ের মতই।

ছয়মাস পর পুরো ঘরের দৃশ্যপট পাল্টে গেল।লিউ তার রাগকে এতটাই দমন করা শিখে গেল যে, সে আর তেমন করে উত্তেজিতই হতে পারত না।তার সাথে তার শ্বাশুড়ীর এই ছয়মাসে কোন তর্কই বাধল না, আর এখন লিলি তার শ্বাশুড়ীর সাথে অনেক বেশী ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠল।লিউর প্রতি তার শ্বাশুড়ীর আচরণেরও পরিবর্তন হল, এবং তিনি লিউকে তার মেয়ের মতই ভালবাসতে শুরু করলেন।তিনি তার বন্ধুবান্ধব এবং আত্মীয় স্বজনদেরকে বলতে লাগলেন যে, পৃথিবীতে যত বৌমা আছে তার মধ্যে লিউ হচ্ছে সর্বোৎকৃষ্ট।লিউ এবং তার শ্বাশুড়ী, মেয়ে এবং মা এর মতই বাস করতে লাগল।সবকিছু দেখে লিউর হাসবেন্ডও খুব খুশি হয়ে উঠল।

একদিন লিউ আবারও মি: হং এর কাছে সাহায্যের জন্য আসল। সে মি: হংকে বলল, " প্রিয় মি: হং, আপনার বাকি ঔষধ আপনি ফিরিয়ে নিন এবং যতটুকু ক্ষতি আমার শ্বাশুড়ীর হয়েছে তা কাটাবার কোন ঔষধ দিন। তার মধ্যে অনেক পরিবর্তন হয়েছে এবং এখন তাকে আমি আমার মায়ের মতই ভালবাসি।"

মি: হং হেসে সামান্য মাথা ঝাঁকিয়ে বললেন, " লিউ, ভয় পাবার কোন কারন নেই, আমি তোমাকে কোন বিষ দেইনি। যেটা দিয়েছিলাম সেটা ছিল একপ্রকার ভিটামিন। যা তোমার শ্বাশুড়ীর স্বাস্থ্য ভাল হতে সাহায্য করেছে।

একমাত্র বিষ ছিল তোমার মনে এবং তার প্রতি তোমার আচরণে, যেটা তুমি পুরোপুরি ধুয়ে ফেলেছ তাকে ভালবেসে।"

মনে রাখবেন," যে যাকে যতটা ভালবাসা দেবে, প্রতিদানে ততটা ভালবাসাই পাবে। আপনি যেমন ব্যাবহার করবেন, তার থেকে ভালো ব্যাবহার আপনি আশা করতে পারেন কি?? ভালো ব্যাবহারই মানুষকে সুন্দর ও সুখী পথের নির্দেশনা দেয়"